মূল অংশে যান
দৈনিক প্রতিধ্বনি দৈনিক প্রতিধ্বনি
ব্রেকিং
বিজ্ঞাপন

শাহজালালে এক দশকের বেশি সময় ধরে পড়ে আছে ১২ পরিত্যক্ত উড়োজাহাজ: চরম ভোগান্তিতে বিমানবন্দর কার্যক্রম

অ্যাডমিন প্রকাশ: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সর্বশেষ হালনাগাদ: ১ দিন আগে ১ মিনিট পড়ুন
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
শেয়ার করুন:

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে চারটি বেসরকারি বিমান সংস্থার ১২টি উড়োজাহাজ। বছরের পর বছর অযত্ন-অবহেলায় পড়ে থাকা এসব উড়োজাহাজ কার্যত স্ক্র্যাপে পরিণত হয়েছে। একাধিকবার নিলামে বিক্রির চেষ্টা করা হলেও মিলছে না প্রত্যাশিত ক্রেতা। ফলে বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল অ্যাপ্রোন ও কার্গো এলাকার বিশাল জায়গা অবরুদ্ধ হয়ে আছে, যা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জন্য স্থায়ী সংকটে রূপ নিয়েছে।

উড়োজাহাজগুলো দীর্ঘদিন জায়গা দখল করে থাকায় সরাসরি ব্যাহত হচ্ছে সাধারণ ফ্লাইট পার্কিং এবং রপ্তানিমুখী পণ্য ওঠানামার কার্গো কার্যক্রম। এমনকি স্থানসংকটের কারণে থমকে গেছে বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয় পরিকল্পনাও।

এদিকে বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, বন্ধ হয়ে যাওয়া এই চার এয়ারলাইন্সের কাছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) বকেয়া পাওনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। এর সিংহভাগই জিএমজি এয়ারলাইন্সের কাছে, যার পরিমাণ ৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এছাড়া ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের কাছে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা এবং অবশিষ্ট অর্থ রিজেন্ট এয়ারওয়েজ ও অ্যাভিয়েন চ্যার্টারের কাছে বকেয়া রয়েছে। বকেয়া আদায় এবং স্ক্র্যাপ অপসারণের আইনি জটিলতায় বিষয়টি দিনে দিনে আরও জটিল হয়ে উঠছে।

বিজ্ঞাপন

মন্তব্য (০)

প্রথম মন্তব্যটি করুন।

প্রতিদিন সকালে

দিনের প্রয়োজনীয় খবরটুকু, আপনার ইনবক্সে

সকাল ৭টায় একটি ইমেইল — রাতের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, দিনের সূচি আর যা না জানলেই নয়।